Slide 1

সচেতনতা ও নিয়মিত স্ক্রিনিং প্রয়োজন

ক্যান্সার নিয়ে ভয় নয়,
প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সারও নিরাময় হয়

Slide 2

মানসিক সাপোর্ট প্রয়োজন

ক্যান্সার রোগী এবং ক্যান্সার রোগীর পরিবারকে মানসিকভাবে সাহস দিন, আস্থা দিন, ভরসা দিন।

Slide 3

In Loving Memory of

Reefat

previous arrow
next arrow

প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব

ক্যান্সার প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সবার একত্রিত হতে হবে। সাবধানতা ও সচেতনতার মাধ্যমে ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

ক্যান্সার কি?

মানুষের শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের মাধ্যমে তৈরি। এই কোষগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর মারা যায়। এই পুরনো কোষগুলোর জায়গায় নতুন কোষ এসে জায়গা করে নেয়। সাধারনভাবে কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং নিয়মমতো বিভাজিত হয়ে নতুন কোষের জন্ম দেয়।  কিন্তু যখন এই কোষগুলো কোনো কারণে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তখনই ত্বকের নিচে মাংসের দলা অথবা চাকা দেখা যায়।  একে টিউমার বলে। যে টিউমারের কোষগুলোর দেহের অন্যান্য অঙ্গেও ছড়িয়ে যাবার ক্ষমতা রয়েছে, তাঁকে ক্যান্সার বলে।

ক্ষতিকর টিউমার বা ক্যান্সার হলে তা স্থানীয়ভাবে আশেপাশে অনুপ্রবেশ করে এবং লসিকাগ্রন্থি (লিম্ফনোড) বা রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে শরীরের দূরবর্তী স্থানে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অর্থাৎ, শরীরে অস্বাভাবিক কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যাওয়াই হলো ক্যান্সার।

প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। প্রতি বছর জুনের প্রথম রবিবার ক্যান্সার সার্ভাইভারস দিবস পালন করা হয়।

N

ক্যান্সারের প্রকারভেদ

মানুষের শরীরের বিভিন্ন প্রান্তে ক্যান্সার কোষ গঠিত হতে পারে। ত্বকের ক্যান্সার, মস্তিষ্কের ক্যান্সার, ব্লাড ক্যান্সার, জরায়ুমুখে ক্যান্সার, বৃহদন্ত্র ও মলদ্বারের ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সার, গলা বা স্বরনালির ক্যান্সার, লসিকাগ্রন্থির (লিম্ফোমা) ক্যান্সার ইত্যাদি।
N

ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায়

সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম করা, সঠিক ওজন, বেশিক্ষন সূর্যের আলোতে না থাকা, দূষণমুক্ত পরিবেশে অবস্থান করা, ধূমপান না করা, এলকোহল পান না করা – ইত্যাদির মাধ্যমে ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। কেউ যদি প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার আক্রান্ত হোনও, সেক্ষেত্রে দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিকার করা সম্ভব। Read More..

N

ক্যান্সারের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি

ক্যান্সারের ধরন, রোগীর অবস্থা, গ্রেড এবং স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসকরা ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন, যেমনঃ কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, হরমোন থেরাপি, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বা অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন।

ক্যান্সার রোগের চিকিৎসক (Oncologists)

ক্যান্সার নির্ণয় এবং চিকিত্সায় বিশেষজ্ঞদের বলা হয় অনকোলজিস্ট।  ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য সরাসরি ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত।
সার্জিক্যাল অনকোলজিস্টঃ যিনি ক্যান্সার অপসারণের জন্য সার্জারি করেন।
মেডিকেল অনকোলজিস্টঃ যিনি কেমোথেরাপি, হরমোন থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং অন্যান্য লক্ষ্যযুক্ত চিকিত্সা ব্যবহার করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করেন।
রেডিয়েশন অনকোলজিস্টঃ যিনি রেডিয়েশন থেরাপি ব্যবহার করে ক্যান্সার চিকিৎসা করেন।

u

ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যাপারে রোগী এবং রোগীর আত্মীয় পরিস্কার ধারণা রাখুন।

ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগী এবং রোগীর আত্মীয়দের বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হয়। কোনো বিষয় না বুঝলে চিকিৎসককে জিজ্ঞাস করুন। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সে ব্যাপারে পরিস্কার ধারণা নিয়ে তারপর সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। প্রয়োজনে ইন্টারনেটে বিশ্বাসযোগ্য সোর্স থেকে রিসার্চ করে জেনে নিন। ক্যান্সার চিকিৎসায় বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করতে হয়, যেমনঃ হাসপাতালের সার্জারি টিম, কেমোথেরাপি টিম, রেডিওথেরাপি টিম ইত্যাদি। সবাই সবার কাজ সঠিকভাবে পালন করছে কিনা সে ব্যাপারে যথাসম্ভব খেয়াল রাখুন।

ক্যান্সার চিকিৎসার ধাপসমুহ

"

১) প্রতিরোধই সর্বসেরা ঔষধ

একটি নীরোগ জীবনযাপনের জন্য রোগের অবস্থান জানা জরুরি। কোন রোগটি বাসা বেঁধেছে শরীরের কোন অংশে, শুরুতেই সেই ঠিকানা জানা গেলে রোগটিকে নির্মূল করা যায় সহজেই। বিশেষত, মরণব্যাধি ক্যানসারের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করুন। ক্যান্সারের সাধারণ উপসর্গ জেনে নিন এবং উপসর্গের ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শে নিয়মিত স্ক্রিনিং বা টেস্ট করা উচিত। 

"

২) ক্যান্সার নির্ণয়

প্রাথমিক স্ক্রিনিং এ ক্যান্সার ধরা পরলে, একজন অভিজ্ঞ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের (অনকোলজিস্ট) কাছে পরামর্শ নিতে হবে। তিনি বিভিন্ন টেস্ট যেমনঃ কোর বায়োপ্সি, বা ইমেজিং টেস্টের মাধ্যমে ক্যান্সারের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। প্রয়োজনে একাধিক অনকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন।

"

৩) চিকিৎসা গ্রহন

ক্যান্সারের প্রকৃতি, গঠন, গ্রেড, স্টেজ ইত্যাদি তথ্যের উপর নির্ভর করে কমপক্ষ্যে ৩ সদস্য বিশিষ্ট অনকোলজিস্ট টিম (সার্জন, কেমোথেরাপি অনকোলজিস্ট, রেডিওথেরাপিস্ট) রোগীর ট্রিটমেন্ট প্ল্যান নির্ধারণ করেন। সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, হরমোন থেরাপি ইত্যাদি চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে।

!

৪) নিয়মিত ফলোআপ

ক্যান্সার চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। ক্যান্সারের ধরন অনুযায়ী কয়েক মাস থেকে বছর খানেক লাগতে পারে। চিকিৎসা শেষে অনকোলজিস্টের পরামর্শমত ১ মাস/৩ মাস/৬ মাস পর পর বিভিন্ন টেস্টের মাধ্যমে ফলোআপ করতে হয়।

"

১) প্রতিরোধই সর্বসেরা ঔষধ

একটি নীরোগ জীবনযাপনের জন্য রোগের অবস্থান জানা জরুরি। কোন রোগটি বাসা বেঁধেছে শরীরের কোন অংশে, শুরুতেই সেই ঠিকানা জানা গেলে রোগটিকে নির্মূল করা যায় সহজেই। বিশেষত, মরণব্যাধি ক্যানসারের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করুন। ক্যান্সারের সাধারণ উপসর্গ জেনে নিন এবং উপসর্গের ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শে নিয়মিত স্ক্রিনিং বা টেস্ট করা উচিত।

"

২) ক্যান্সার নির্ণয়

প্রাথমিক স্ক্রিনিং এ ক্যান্সার ধরা পরলে, একজন অভিজ্ঞ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের (অনকোলজিস্ট) কাছে পরামর্শ নিতে হবে। তিনি বিভিন্ন টেস্ট যেমনঃ কোর বায়োপ্সি, বা ইমেজিং টেস্টের মাধ্যমে ক্যান্সারের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। প্রয়োজনে একাধিক অনকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন।

"

৩) চিকিৎসা গ্রহন

ক্যান্সারের প্রকৃতি, গঠন, গ্রেড, স্টেজ ইত্যাদি তথ্যের উপর নির্ভর করে কমপক্ষ্যে ৩ সদস্য বিশিষ্ট অনকোলজিস্ট টিম (সার্জন, কেমোথেরাপি অনকোলজিস্ট, রেডিওথেরাপিস্ট) রোগীর ট্রিটমেন্ট প্ল্যান নির্ধারণ করেন। সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, হরমোন থেরাপি ইত্যাদি চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে।

"

৪) নিয়মিত ফলোআপ

ক্যান্সার চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। ক্যান্সারের ধরন অনুযায়ী কয়েক মাস থেকে বছর খানেক লাগতে পারে। চিকিৎসা শেষে অনকোলজিস্টের পরামর্শমত ১ মাস/৩ মাস/৬ মাস পর পর বিভিন্ন টেস্টের মাধ্যমে ফলোআপ করতে হয়।

পরিসংখ্যান (বিশ্ব এবং বাংলাদেশ)

বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হল ক্যান্সার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে প্রায় ১০ মিলিয়ন (১ কোটি) মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেছেন।

GLOBOCAN 2020 এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০ সালে সারাবিশ্বে প্রায় ১৯.৩ মিলিয়ন (১ কোটি ৯৩ লাখ) মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে এবং ১ কোটি মানুষ মৃত্যু বরন করেছে।
ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে ৩০ বছর থেকে ৬৯ বছর বয়সী শতকরা প্রায় ৫০ ভাগ রোগীর অকাল মৃত্যু হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্যান্সার আক্রান্তদের অকাল মৃত্যুরোধে দ্রুত রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরুর উপর গুরত্বারোপ করেছে।

২০২০ সালে সারাবিশ্বে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন ২.২৬ মিলিয়ন মানুষ এবং মারা গেছেন প্রায় ৬৮৫০০০ জন; ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন ২.২১ মিলিয়ন মানুষ এবং মারা গেছেন ১.৮ মিলিয়ন মানুষ; কোলন ক্যান্সারে ১.৯৩ মিলিয়নের মধ্যে মারা গেছেন ৯১৬০০০ জন মানুষ; প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন ১.৪২ মিলিয়ন মানুষ; লিভার ক্যান্সারে মারা গেছেন ৮৩০০০০ জন মানুষ। (তথ্যসূত্রঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)

বাংলাদেশে ক্যান্সার পরিস্থিতিঃ প্রতি বছর দেশে ১.৫ লাখ মানুষ নতুন করে ক্যান্সার আক্রান্ত হয় এবং প্রতি বছর ১ লাখেরও বেশি মানুষ মারা যায় ক্যান্সারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী ১৭০ টি ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র থাকা উচিত, অথচ আমাদের দেশে রয়েছে ৩৩ টি কেন্দ্র। দেশে কমপক্ষ্যে ২২০ টি রেডিওথেরাপি সেন্টার থাকার উচিত, কিন্তু দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আছে মোট ৫৭ টি যন্ত্র, এর মধ্যে চালু আছে ৪৩ টি যন্ত্র।
(তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো)

ক্যান্সারের কারণসমুহ

ক্যান্সার কেন হয়, এর সঠিক কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ণয় সম্ভব হয়নি। তবে কিছু কিছু ক্যান্সারের বেলায় নির্দিষ্ট কিছু কারণকেই দায়ী করা যায়। ক্যান্সার সৃষ্টিতে এগুলোর প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ প্রভাব আছে। যেমন-ফুসফুসের ক্যান্সারের বেলায় ধূমপানকে বেশী দায়ী করা হয়। মুখ ও গলার ভেতর ক্যান্সার সৃষ্টিতেও ধূমপানের দখল আছে। তবে চুন, সুপারি জর্দাসহ সেবন, মদ্যপান, দুক্তা, খৈনি ইত্যাদি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারও মুখের ক্যান্সার সৃষ্টিতে দায়ী। খাদ্যদ্রব্যে ছত্রাক থাকা এবং হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস-এর আক্রমণ লিভারের ক্যান্সার সৃষ্টিতে দায়ী বলে মনে করা হয়। মহিলাদের স্তন ক্যান্সার সাধারণত মোটা স্থূল মহিলাদের মধ্যে বেশী দেখা যায়। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি এক্স-রে গামা-রে (যা তেজস্ক্রীয় পদার্থ থেকে নির্গত হয়), আলকাতরা এবং পিচ নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের ত্বকের ক্যান্সার হতে পারে। তাছাড়া এ্যাসবেলসটস, আরসেনিক, নিকেল ও আয়রন শ্রমিকদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার বেশী দেখা যায়।

ক্যান্সারের সাধারণ উপসর্গ

মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার ধরা পড়েছে এবং একেক ক্যান্সারের জন্য একেক ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়। এমন এ ধরনের উপসর্গগুলো দেখা দিলে ঘাবড়ে না গিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে বিভিন্ন স্ক্রিনিং টেস্ট করার ব্যবস্থা নিতে হবে রোগী ও স্বজনদের।
কিছু লক্ষণ যেমনঃ, সহজে সারছে না এমন কোন ক্ষত, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, স্তনে বা শরীরের অন্য কোথাও ব্যথাযুক্ত বা ব্যথাবিহীন কোন পিন্ডের সৃষ্টি, গিলতে অসুবিধা বা হজমে গন্ডগোল, মলমূত্রের সাথে রক্ত যাওয়া, দীর্ঘদিন ধরে খুসখুসে কাশি কিংবা ভাঙা কন্ঠস্বর – ইত্যাদি।
Z

প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসার অনেক সুযোগ থাকে

রোগীরা যে ভুলটা করেন সেটা হলো, ক্যানসার যখন বেশি খারাপের দিকে চলে যায়, তখন চিকিৎসা করাতে আসেন। কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসার অনেক সুযোগ থাকে, সুস্থ হয়ে যাওয়া বা বেশি দিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও বাড়ে। যেকোনো ক্যানসারে যদি প্রথমে অপারেশনের মাধ্যমে টিউমারটা সরিয়ে ফেলা যায়, তাহলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

ক্যান্সার রোগী এবং আত্মীয়ের মানসিক সাপোর্ট প্রয়োজন

ক্যান্সার চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর মানসিক সুস্থতাও নিশ্চিত করতে হবে। যখন একজন রোগীর ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। জীবনের এই কঠিন মুহুর্ত যেন পরিবারটিকে এলোমেলো করে দেয়। তাই ক্যান্সার রোগী এবং ক্যান্সার রোগীর পরিবারকে মানসিকভাবে সাহস দিন, আস্থা দিন, ভরসা দিন। ইতিবাচক কথা বলে তাঁদের আশাবাদী করে তুলুন।

ক্যান্সার রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের দেশের প্রথাগত চিকিৎসার পাশাপাশি ক্যান্সার রোগীর মানসিক থেরাপিও প্রয়োজন রয়েছে। যেমনঃ মানসিক পরামর্শ, স্ট্রেস থেরাপি, স্লিপ থেরাপি, ছোটখাট শারীরিক ব্যায়াম – ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে।