প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব
ক্যান্সার প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সবার একত্রিত হতে হবে।
কিছু গাইডলাইন
ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণগুলো যেমনঃ দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, আকস্মিক ওজন হ্রাস, দীর্ঘদিনের ব্যথা, অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড, ঘন ঘন জ্বর, দীর্ঘস্থায়ী কাঁশি, অকারণে রক্তক্ষরণ, খাবার গ্রহণে সমস্যা ইত্যাদি থাকলে অবহেলা না করে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিছু কিছু ক্যান্সার আছে কোনো লক্ষণ প্রকাশ করে না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। তাছাড়া, পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে কারো যদি ক্যান্সার থেকে থাকে তাহলে পরিবারের সবার নিয়মিত স্ক্রিনিং বা টেস্ট করে নেওয়াই উত্তম।
প্রাথমিক স্ক্রিনিং এ ক্যান্সার ধরা পরলে, একজন অভিজ্ঞ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের (অনকোলজিস্ট) কাছে পরামর্শ নিতে হবে। তিনি বিভিন্ন টেস্ট যেমনঃ কোর বায়োপ্সি, বা ইমেজিং টেস্টের মাধ্যমে ক্যান্সারের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। প্রয়োজনে একাধিক অনকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন, ভিন্ন ভিন্ন ল্যাবে একাধিক পরীক্ষা করুন ।
ক্যান্সার চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক সময়সাপেক্ষ। ধৈর্যের সাথে জ্ঞান-বুদ্ধি-বিচক্ষনতা দিয়ে চিকিৎসার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। চিকিৎসা শেষে অনকোলজিস্টের পরামর্শমত (১ মাস/৩ মাস/৬ মাস) পর পর বিভিন্ন টেস্টের মাধ্যমে ফলোআপ করতে হয়। নিয়মিত ফলোআপ খুব জরুরি।