প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব

ক্যান্সার প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সবার একত্রিত হতে হবে।

u

ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যাপারে রোগী এবং রোগীর আত্মীয় পরিস্কার ধারণা রাখুন।

ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগী এবং রোগীর আত্মীয়দের বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হয়। কোনো বিষয় না বুঝলে চিকিৎসককে জিজ্ঞাস করুন। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সে ব্যাপারে পরিস্কার ধারণা নিয়ে তারপর সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। প্রয়োজনে ইন্টারনেটে বিশ্বাসযোগ্য সোর্স থেকে রিসার্চ করে জেনে নিন। ক্যান্সার চিকিৎসায় বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করতে হয়, যেমনঃ হাসপাতালের সার্জারি টিম, কেমোথেরাপি টিম, রেডিওথেরাপি টিম ইত্যাদি। সবাই সবার কাজ সঠিকভাবে পালন করচছে কিনা সে ব্যাপারে যথাসম্ভব খেয়াল রাখুন।

ক্যান্সার চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর মানসিক সুস্থতাও নিশ্চিত করতে হবে। যখন একজন রোগীর ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। জীবনের এই কঠিন মুহুর্ত যেন পরিবারটিকে এলোমেলো করে দেয়। তাই ক্যান্সার রোগী এবং ক্যান্সার রোগীর পরিবারকে মানসিকভাবে সাহস দিন, আস্থা দিন, ভরসা দিন। ইতিবাচক কথা বলে তাঁদের আশাবাদী করে তুলুন। 

ক্যান্সার রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের দেশের প্রথাগত চিকিৎসার পাশাপাশি ক্যান্সার রোগীর মানসিক থেরাপিও প্রয়োজন রয়েছে। যেমনঃ মানসিক পরামর্শ, স্ট্রেস থেরাপি, স্লিপ থেরাপি, ছোটখাট শারীরিক ব্যায়াম - ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে।